আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু হওয়ায় সৌদি আরব ত্যাগ করছেন যাত্রীরা।

গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে আর্ন্তজাতিক বিমান চলাচল শুরু হওয়ার সাথে সাথে বেশির ভাগ প্রভাসীরা সৌদি আরব ত্যাগ করতেছেন। সেখানে আগত তিনদিন ব্যাপি কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলকভাবে করে দেশে আসছেন। আর্ন্তজাতিক যাত্রীবাহী ফ্লাইটগুলি যে সকল প্রভাসীদের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রনালয়ের উদ্যেগের মাধ্যমে আবেদন করছে তাদের জন্য সীমিত সামর্থ্যের সাথে চলাচল করার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যা সৌদি আরবের মানুষকে আইনত বা অবৈধভাবে দর্শনার্থী এর্ব পর্যটক বিশাধারীদের তাদের দেশে ফিরতে দেয়। 

 


দীর্ঘ কয়েকমাস ব্যাপী বিধিনিষেধের অবসান হল। কিংডমের বিমান বন্দরগুলি থেকে ছেড়ে যাওয়া তাদের জন্য কষ্টকর ছিল। সংক্রমনের বিস্তার রোধ করার জন্য গতকাল ১৫ সেপ্টেম্বর আংশিকভাবে ফ্লাইট খুলে দেওয়া হয়েছে। গত ২১ মার্চ  সৌদি শহরগুলিতে সমস্থ ফ্লাইট এবং যাতায়াত এর মাধ্যম বন্ধ করে দেয় হয়েছিল।

ডেলওয়্যার স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় এর বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষাথী আলী আব্দুল আহম্মেদ কিংডম সমস্থ আর্ন্তজাতিক ফ্লাইট স্থগিত করার মাত্র কয়েকদিন আগে বসন্ত বিরতির জন্য সৌদি আরবে ফিরে এসেছিল।

 

তিনি আরব নিউজকে বলেন েএটি প্রথমে পরাবাস্তব ছিল যেহেতু আমি জানতাম না যে এর পরে কি হবে আমি কি ইস্কুলে ফিরে যেতে বা জেদ্দায় থাকতে এবং অনলাইনে আমার সেমিস্টার শেষ করতে সক্ষম হবএটি একটি বিভ্রান্তিকর সময় ছিল তবে এই সময়টা পরিবারের সাথে কাটানোটা ভালো লাগছিল। আলী আব্দুল আহম্মেদ কিভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট ফিরে যাবেন সে সম্পর্কে তথ্য দিয়েছিলেন এবং ভ্রমনের অনুমতি পাওয়ার জন্য সরকারী প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দুবার আবেদন করেছিলেন কিন্তু কোন লাভ হয়নি। করোনা ভাইরাসের কারনে ডুবে গেছে পৃথিবীর বড় বড় সংস্থা গুলো

 


Post a Comment

Thank You

নবীনতর পূর্বতন